Menu

সর্বশেষ


রমেশ চন্দ্র সরকার,রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) থেকে : প্রবল বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি দিন দিন বাড়তে শুরু করছে। পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে শুরু হয়েছে নদী ভাঙ্গন। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ যোবায়ের হোসেন উপজেলার (১) ছিনাই ইউনিয়নের ধরলা নদীর ভাঙ্গন কবলিত জয়কুমর কামারপাড়া থেকে কালুয়া পর্যন্ত এবং (২) বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের তিস্তা নদীর ভাঙ্গন কবলিত রামহরি, চতুরা, মন্দির, পাড়ামৌলা, রতি, গাবুর হেলান, তৈয়বখাঁ ও চর বিদ্যানন্দ এলাকা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি জানান ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির সংখ্যা এবং ক্ষতিগ্রস্ত জমি, ফসল ও বাগানের পরিমানের দিকে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে। এ সকল এলাকার হুমকির সম্মুখীন মানুষের সাথে আলাপ করে বিভিন্ন বিষয়ে তাদের মতামত এবং চাহিদা ও সমস্যার কথা শোনা হয়েছে। সে অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে সংঘটিত ক্ষয়ক্ষতি এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করে পরিবার-ভিত্তিক তালিকা করে অতি দ্রুত জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ সমস্ত তালিকা সরকারের নিকট জরুরি ভিত্তিতে পৌঁছে দেওয়া হবে। নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত কোন পরিবারের খাদ্য কিংবা অন্য কোন সহায়তা প্রয়োজন হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সংগ্রহ করে তা প্রদান করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

এ সময় তিনি বলেন,নদী ভাঙ্গন একটি জাতীয় সমস্যা। দেশের সকল নদী ভাঙ্গন এলাকায় একই সাথে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করার সাথে দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতার সম্পর্ক আছে। এটা সরকারি সিদ্ধান্তের বিষয়, উপজেলা প্রশাসন বা চেয়ারম্যান/মেম্বারের বিষয় নয়। তবে পরিদর্শন করে রাজারহাটের নদী সংলগ্ন এলাকার যেখানে যেখানে যে পরিমাণ বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজন বলে মনে হয়েছে এবং তথ্য নিয়ে জানতে পেরেছি, সে বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সরকারের নিকট অতিসত্বর পত্র প্রেরণ করা হবে।

পরিদর্শনকালে ছিনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ নুরুজ্জামান হক বুলু, বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম, ইউএনও অফিসের স্টাফ, স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ এবং ইউপি সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

বিপি/কেজে