Menu

সর্বশেষ


ঝিনাইদহ থেকে সংবাদদাতা: ঝিনাইদহের দত্তনগর বিএডিসি’র মথুরা বীজ উৎপাদন খামারের শত শত বিঘা জমির ধানের বিচালী ও খড় গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে এক উপ-পরিচালকের বিরুদ্ধে।কোন প্রকার কোটেশন, নিলাম, টেন্ডার ছাড়াই এলাকার বিভিন্ন ব্যাক্তির কাছে এসব বিক্রি করা হয়েছে। এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঝিনাইদহের সীমান্তবর্তী উপজেলা মহেশপুরে অবস্থিত এশিয়ার বৃহত্তম শস্য বীজ উৎপাদন খামার দত্তনগর কৃষি ফার্ম। খামারের ঝিনাইদহ অংশের এ বছর আড়াই’শ হেক্টর জমিতে ধানের বীজ উৎপাদন করা হয় ।

সম্প্রতি এসব ধানের জমির খড় ও বিচালী কোন প্রকার কোটেশন, নিলাম, টেন্ডার ছাড়াই এলাকার মানুষের কাছে একর প্রতি ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন উপ-পরিচালক মজিবর রহমান খান সবুজ।এমনকি বকেয়া টাকা আদায়ের জন্য কৃষকের বাড়িতে বাড়িতে লোক পাঠিয়ে হুমকিও দিচ্ছেন। প্রতিবছর খড় ও বিচালী জৈব সার তৈরী ও স্থানীয় গরুর খামারীদের বিনামুল্যে দেওয়া হলেও এবার বিক্রি করে টাকা আত্মসাত করেছেন ওই কর্মকর্তা। বিচালী ও খড়ের মুল্য প্রায় ৯ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।

অভিযোগ আরো রয়েছে, এই উপ-পরিচালক বীজ উৎপাদন খামারের যোগাদানের পর থেকে বিভিন্ন অফিসিয়াল দুর্নীতিতে মেতে উঠেন। ফার্মের নিজস্ব মেশিং থাকা সত্ত্বেও বাইরে থেকে মেশিন ভাড়া করে এবার ধান মাড়াই করা হয়েছে। যা অন্য ৪টি ফার্মের তুলনায় মথুরা ফার্মের জমি উচু। তাছাড়া ভাড়া মেশিনের পাশাপাশি শ্রমিক দিয়ে ধান কাটা হয়েছে। সেখানে রয়েছে গড়মিল। মহিলা শ্রমিকদের প্রতিদিন জনপ্রতি ২শত টাকা করে হাজিরা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মাস্টাররোল দেখিয়েছেন ৪শত টাকা করে। এই থেকে তিনি মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।তবে এ ব্যাপারে মহেশপুর দত্তনগর মথুরা বীজ উৎপাদন খামারের উপ-পরিচালক মো: মজিবর রহমান খান সবুজ কাছে এ বিষয়ে জানাতে চাইলে তিনি সকল প্রকার অনিয়মের- দুর্নীতির কথা অস্বীকার করেন। তিনি জানান, স্থানীয়রা সুবিধা না পেয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বিপি/কেজে