Menu

সর্বশেষ


রমেশ চন্দ্র সরকার,রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) থেকে: রাত পোহালেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মানুষের হৃদয় কপাটে নাড়া দিচ্ছে ঈদ। ইতিমধ্যে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৫ মে (সোমবার) পবিত্র ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা করেছে।

আর ঘন্টা কয়েক বাদে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে সামিল হবে ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিগণ। নাড়িরটানে ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। রাজারহাটের গ্রাম গুলোতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে ঈদের আমেজ বিরাজ করছে। করোনা ভাইরাস যেন কোনো কিছুতেই বাধা হতে পারেনি। ঠিক এই মহুর্তে রাজারহাটে বিপণী বিতাণ গুলোতে আবালবৃদ্ধ বনিতাদের ভীর লক্ষ্য করা গেছে। রাজারহাটের বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে একই চিত্র চোখে পড়ে।

শাপলা ক্লোদ স্টোরের এর স্বর্তাধিকারী স্বপন সরকার জানান, এবারে ঈদে বেচা বিক্রি গতবারের তুলনায় অনেক কম। করোনায় লকডাউন কারণে রোজার প্রথম দিকে দোকান পাঠ বন্ধ ছিল। রোজার শেষের লকডাউন শিথিল করার পর থেকে বিক্রি আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। বিশেষ করে শিশুদের পোশাক, বড়দের শাড়ী, পাঞ্জাবী, থ্রিপিচ শার্ট ও প্যান্ট বেশি বিক্রি হচ্ছে। শেষ মহুর্তের বেচা কিনায় ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত সময় পার করছে। শুধু পোশাকাদি নয় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব সামগ্রীও প্রচুর পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে।

কথা হয় একজন ক্রেতা প্রভাষক জনাব মোহাম্মদ আলী এটমের সাথে। তিনি জানান, রোজার শেষ মহুর্তে বোনাস পেয়েছি কিন্তু বেতন পায়নি। তিনি আরও জানান করোনার কারণে স্বল্প মাত্রায় কেনাকাটা করছি। দাম একটু বেশি হলেও তা সাধ্যের মধ্যে আছে।

বিপি/কেজে