Menu

সর্বশেষ


বাংলাপ্রেস ডেস্ক: শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সরব পুরো ক্যাম্পাস। বিচার দাবিতে রাজু ভাস্কর্য, অপরাজেয় বাংলা, শাহবাগ মোড়ে বিক্ষোভ করেন বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনসহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, ধর্ষণে জড়িতদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনতে হবে। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংগঠনের নেতারা।

ধর্ষণের নির্মমতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গায়ে। তাইতো জ্বলছে প্রতিবাদের স্ফুলিঙ্গ। সতীর্থকে নির্যাতনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী রাজু ভাস্কর্য আবারও প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে ভাস্মর। বিশাল মানববন্ধন করেছে ছাত্রলীগ। ধর্ষণের প্রতিবাদে রাজু ভাস্কর্য থেকে কলাভবন পর্যন্ত পৌঁছেছে এই মানবসারি। আরেকদিক ঠেকেছে চারুকলা পর্যন্ত। ছাত্রলীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, ধর্ষণের শাস্তি যাবজ্জীবন করা আছে। সেটা যেনো সর্ব্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করা হয়।

নারীর জন্য নিরাপদ দেশের দাবিতে মধুর ক্যান্টিন থেকে মিছিল করেছে ছাত্রদল। পরে অপরাজেয় বাংলায় সমাবেশ করেন তারা। এসময় দাবি জানান সুষ্ঠু বিচারের। পরে মিছিল নিয়ে ছাত্রলীগের মানববন্ধনের ভেতর দিয়ে গেলেও একই দাবিতে আন্দোলন হওয়ায় দু’পক্ষই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বজায় রাখে।

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল বলেন, ধর্ষকের বিচারের দাবিতে এবং সামাজিক সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আমাদের এই বিক্ষোভ কর্মসূচী। সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্রঐক্যের ডাকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা জড়ো হন শাহবাগে। পরে মিছিল নিয়ে আসেন রাজু ভাস্কর্যে। এতে অংশ নেন ডাকসু ভিপি। তিনি জানান, বিচার না পাওয়া পর্যন্ত চলবে প্রতিবাদ।

নুরুল হক নুর বলেন, তারা আইন-আদালত পুলিশ-প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে অনেক সময় অপরাধকে ধামা-চাপা দিতে চায়। সেকারণেই এ ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তি ঘটছে। টিএসসি ভিত্তিক মাইম অ্যাকশন সংগঠনের কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে ধর্ষণের বিরুদ্ধে সমাজিক আন্দোলন গড়ার নির্বাক প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, শুধু এই ঘটনা না, আমরা প্রতিটি ধর্ষনের বিচার চাই। এটা যেনো বন্ধ হয় সেজন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

বিপি/আর এল