Home আন্তর্জাতিক ভেস্তে গেছে মেয়র এরিক অ্যাডামসের ‘নিরাপদ নিউ ইয়র্ক’

ভেস্তে গেছে মেয়র এরিক অ্যাডামসের ‘নিরাপদ নিউ ইয়র্ক’

by bnbanglapress
A+A-
Reset

নোমান সাবিত: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামস দায়িত্ব গ্রহণের পর নিউ ইয়র্ক সিটিকে ‘নিরাপদ’ রাখার যে ঘোষণা দিয়েছিল তা ভেস্তে গেছে। মেয়র এরিক অ্যাডামস দায়িত্ব গ্রহণের পর সাবওয়ে (পাতাল রেল)সহ নিউ ইয়র্ক সিটিকে অধিক নিরাপদ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। বরং নিউ ইয়র্ক সিটির অপরাধ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দেড়গুণে। সাবওয়েতে ট্রানজিট পুলিশ সক্রিয় থাকলেও অপরাধ কমছে না। পুলিশের নাকের ঘটছে নানা ঘটনা।
নিউ ইয়র্ক পুলিশের এক অপরাধ পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে অর্থাৎ এক মাসে নিউ ইয়র্ক সিটিতে ২২২টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। গত বছর একই সময়ে সংঘটিত হয় ১৫২টি অপরাধ। অর্থাৎ গত বছরের চেয়ে অপরাধ বেড়েছে প্রায় দেড়গুণ।
সিটির সাবওয়ে (পাতাল রেল) অধিক নিরাপদ করার ঘোষণা দেওয়া হয়, কিন্তু নিউ ইয়র্ক সিটির গণপরিবহন সাবওয়ে (পাতাল রেল) নগরবাসীর কাছে এখন ভয়াবহ আতঙ্কের নাম। প্রায় প্রতিদিনই সাবকেন্দ্রিক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। কিন্তু হাজারো প্রচেষ্টার পরও থামানো যাচ্ছে না সাবওয়েকেন্দ্রিক অপরাধ। আর এ কারণে নিউইয়র্ক পুলিশের (এনওয়াইপিডি) সক্ষমতা নানা মহলে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিকালে নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কসের একটি সাবওয়ে স্টেশনে গুলিতে একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছে। ফায়ার বিভাগ বিকেল সাড়ে চারটার দিকে জানিয়েছে, গুলির ঘটনায় ছয় জনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৪ বছরের একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
নিউ ইয়র্কের উত্তরাঞ্চলের ব্রোনক্সের মাউন্ট এডেন অ্যাভিনিউ সাবওয়ে স্টেশনে এই গুলির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলটি নিউ ইয়র্কের বিখ্যাত টাইম স্কয়ার থেকে ১৪ কিলোমিটার বা প্রায় ৯ মাইল উত্তরে। নিউ ইয়র্ক শহরের ট্রানজিট পুলিশের প্রধান মাইকেল ক্যামপার বলেন, ‘ট্রেনের ভেতরে দুটি দলের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল বলে আমরা ধারণা করছি। এর জেরে গুলির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।’
পুলিশ বলেছে, তারা অন্তত একজন বন্দুকধারীর সন্ধান করছে। যদিও গোলাগুলির এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি পুলিশ।
এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ ট্রানজিট প্রধান মাইকেল কেম্পার বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি না এটি এলোমেলো কোনও গোলাগুলির ঘটনা ছিল। আমরা বিশ্বাস করি, ট্রেনে দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এই গোলাগুলি হয়েছে।’
নিউ ইয়র্ক পুলিশের এক অপরাধ পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে অর্থাৎ এক মাসে নিউ ইয়র্ক সিটিতে ২২২টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। গত বছর একই সময়ে সংঘটিত হয় ১৫২টি অপরাধ। অর্থাৎ গত বছরের চেয়ে অপরাধ বেড়েছে প্রায় দেড়গুণ।
যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের গোলাগুলির ঘটনা খুবই সাধারণ একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোট জনসংখ্যার তুলনায় দেশটিতে আগ্নেয়াস্ত্রের সংখ্যা বেশি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অন্য অনেক বড়ো শহরের তুলনায় নিউইয়র্কে হত্যার হার কম এবং জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র রাখা প্রায় সবক্ষেত্রেই বেসামরিক নাগরকিদের জন্যে বেআইনি।
বিকালে নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের একটি সাবওয়ে স্টেশনে গুলিতে একজন নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছে। ফায়ার বিভাগ বিকেল সাড়ে চারটার দিকে জানিয়েছে, গুলির ঘটনায় ছয় জনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে ৩৪ বছরের একজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
নিউ ইয়র্কের উত্তরাঞ্চলের ব্রোনক্সের মাউন্ট এডেন অ্যাভিনিউ সাবওয়ে স্টেশনে এই গুলির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলটি নিউ ইয়র্কের বিখ্যাত টাইম স্কয়ার থেকে ১৪ কিলোমিটার বা প্রায় ৯ মাইল উত্তরে।
নিউইয়র্ক শহরের ট্রানজিট পুলিশের প্রধান মাইকেল ক্যামপার বলেন, ‘ট্রেনের ভেতরে দুটি দলের মধ্যে বিরোধ হয়েছিল বলে আমরা ধারণা করছি। এর জেরে গুলির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।’
পুলিশ বলেছে, তারা অন্তত একজন বন্দুকধারীর সন্ধান করছে। যদিও গোলাগুলির এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়নি পুলিশ।
এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ ট্রানজিট প্রধান মাইকেল কেম্পার বলেছেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি না এটি এলোমেলো কোনও গোলাগুলির ঘটনা ছিল। আমরা বিশ্বাস করি, ট্রেনে দুটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধের জের ধরে এই গোলাগুলি হয়েছে।’
মেয়র এরিক অ্যাডামস দায়িত্ব গ্রহণের পর নিউ ইয়র্ক সিটির সাবওয়ে অধিক নিরাপদ করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু বাস্তবে তা আর হয়নি। সাবওয়েতে ট্রানজিট পুলিশ সক্রিয় থাকলেও অপরাধ কমছে না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশের নাকের ঘটছে এসব ঘটনা।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের গোলাগুলির ঘটনা খুবই সাধারণ একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মোট জনসংখ্যার তুলনায় দেশটিতে আগ্নেয়াস্ত্রের সংখ্যা বেশি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের অন্য অনেক বড়ো শহরের তুলনায় নিউইয়র্কে হত্যার হার কম এবং জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র রাখা প্রায় সবক্ষেত্রেই বেসামরিক নাগরকিদের জন্যে বেআইনি।

এদিকে নিউই য়র্ক সিটির ২০টি অভিবাসী কেন্দ্রে কারফিউ জারি করছেন মেয়র এরিক এডামস। টাইমস স্কয়ারে পুলিশের উপর হামলা, গুলি ও ডাকাতির ঘটনায় এ সিদ্ধান্ত নিলো সিটি প্রশাসন। গত সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে এ আদেশ কার্যকর হয়েছে। এ আইন অমান্যকারিদের পুলিশ গেফতার করে বিচারের আওতায় আনবে।
সিটির হাউজিং প্রিজারভেশন ও ডেভেলপমেন্ট (এইচপিডি) আওতাধীন ২০টি অস্থায়ী অভিবাসী কেন্দ্রে এই কার্ফু আদেশ কার্যকর হবে। সম্প্রতি ১৫ বছরের মাইগ্র্যান্ট বালক পিস্তল নিয়ে প্রকাশ্যে ডাকাতি করায় মেয়র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বলেছেন, একি ভয়ংকর! নিউইয়র্ক সিটি তাদের জন্য মানবিক বিচেনায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। নিউইয়র্কাররা তাদের জন্য ত্যাগ স্বীকার করছে। আর তারাই কিনা আমাদের পুলিশের উপর গুলি চালাচ্ছে।
সিটি ঘোষিত কার্ফু প্রতিদিনি রাত ১১টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। কার্ফু আরোপিত ২০টি সেন্টারে প্রায় ৪ হাজার এডাল্ট মাইগ্র্যান্ট এর আওতায় পড়বেন।
সিটির একজন মুখপাত্র সাংবাদিকদের বলেছেন, নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন নিউইয়র্কারদের কাছ থেকে আমরা অভিযোগ পাচ্ছি। মাইগ্র্যান্টরা শেল্টার থেকে বেরিয়ে বাসায় বাসায় কিংবা এপার্টমেন্টে গিয়ে খাবার ও কাপড় চাইছে। সিটির অনেক বাসিন্দা তাদের হাতে নাজেহালও হচ্ছেন। আমরা মাইগ্র্যান্ট ক্রাইসিসকে মানবিক বিবেচনায় নিয়ে সর্তকতার সাথে সংকট মোকাবেলা করছি। তবে নিউইয়র্কারদের নিরাপত্তা দেয়া সিটি প্রশাসনের অন্যতম দায়িত্ব। ইতোমধ্যেই ‘ডিএইচএস সেন্টার’ ও সিটির ইমারজেন্সিী অস্থায়ী সেন্টারগুলোতে আইনশৃংখলা বহিনীগুলো টহল দেয়া শুরু করেছে।

বিপি।এসএম

You may also like

Leave a Comment

কানেকটিকাট, যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বৃহত্তম বাংলা অনলাইন সংবাদপত্র

ফোন: +১-৮৬০-৯৭০-৭৫৭৫   ইমেইল: bpressusa@gmail.com
স্বত্ব © ২০১৫-২০২৩ বাংলা প্রেস | সম্পাদক ও প্রকাশক: ছাবেদ সাথী