Home বাংলাদেশ ছেলে কেন মাকে দেখতে আসে না, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

ছেলে কেন মাকে দেখতে আসে না, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

by বাংলাপ্রেস ডেস্ক
Published: Updated:
A+A-
Reset

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, অনশনের নামে নাটক করছে বিএনপি। খালেদা জিয়ার ভাই-বোনেরা গণভবনে এসে আমার কাছে কান্নাকাটি করে। আর বিএনপি অনশন করে। সে (খালেদা জিয়া) অসুস্থ, ছেলে (তারেক রহমান) কেন মাকে দেখতে আসে না?

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন উপলক্ষে শনিবার রাজধানীর কাওলায় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসুস্থ মাকে দেখতে আসে না কেন ছেলে (তারেক রহমান)। সে কেমন ছেলে? শুনছি বিএনপির লোকজন বলছে, সে (খালেদা জিয়া) নাকি যখন তখন মরে যাবে, আর তাছাড়া বয়সও তো হয়েছে তার। তো মাকে দেখতে আসে না কেন? আমি তো বলব যে, মাকে দেখতে আসুক।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার আরেক ছেলে (আরাফাত রহমান কোকো) মারা গেল। তার বিরুদ্ধেও মানি লন্ডারিংয়ের মামলা ছিল। সে মালয়েশিয়া মারা যায়। তার লাশ আসে। আমি একজন মা। আমারও সন্তান আছে। আমি খালেদা জিয়াকে সহানুভূতি দেখাতে গিয়েছিলাম। আমার মিলিটারি সেক্রেটারি তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে, সময় ঠিক করে। কিন্তু আমি যখন সেই বাসার সামনে যাই, বাসার গেট তালা দিয়ে বন্ধ করে দেয়। ভেতরে বিএনপি নেতারা ঘুরে বেড়াচ্ছে, ওদিকে তালা দেওয়া আমাকে ঢুকতে দেবে না। কত বড় অপমান আপনারা একবার চিন্তা করে দেখেন। যে আমি গেছি সহানুভূতি দেখাতে, আর সেখানে আমাকে সে (খালেদা জিয়া) ঢুকতে দেয় না।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়া ভুলে গেছে সেই একাত্তরের পর কতবার ওই ৩২ নাম্বারে গেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব না থাকলে আর আমার মা সহযোগিতা না করলে ওই বেগম জিয়া হিসেবে নিজের নাম-পরিচয় দিতে পারত না। এটা হলো বাস্তব কথা। তখন কোথায় থাকত? আর সে কিনা- আমাকে ঢুকতে দেয়নি। তারপরেও আমি তাকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি, তাকে বাড়িতে থাকতে দিয়েছি। এখন তারা (বিএনপি) অনশন করে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠাতে চায়। নেবেটা কে? যে ছেলে মাকে দেখতে আসে না। সে নেবে? সে আশা দুরাশা।

বিপি/কেজে

You may also like

Leave a Comment

কানেকটিকাট, যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বৃহত্তম বাংলা অনলাইন সংবাদপত্র

ফোন: +১-৮৬০-৯৭০-৭৫৭৫   ইমেইল: bpressusa@gmail.com
স্বত্ব © ২০১৫-২০২৩ বাংলা প্রেস | সম্পাদক ও প্রকাশক: ছাবেদ সাথী