Home জীবনযাপন ডোমারে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

ডোমারে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

by বাংলাপ্রেস ডেস্ক
A+A-
Reset

আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমারে শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। বড় গরুর চেয়ে ছোট গরুর দিকেই ক্রেতারা ঝুঁকছেন বেশি। সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত বেশ কয়েকটি হাট ঘুরে দেখা গেছে প্রতিটি হাট ক্রেতায় ভরা।

বসুনিয়ার হাটে বিভিন্ন জায়গা থেকে ট্রাকে, যান্ত্রিক ভ্যানে আসছে গরু ও ছাগল। প্রাণী সম্পদ সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় প্রায় ২০হাজার পশুর চাহিদা রয়েছে, তবে তুলনা মূলক ভাবে ১১ হাজার কোরবানীর পশু বেশী থাকবে। দেবীগঞ্জ রামগঞ্জ বিলাসী থেকে গরু নিয়ে আসা শফিকুল জানান, তার গরুর দাম ৪ লাখ চাইছেন, ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাম উঠেছে। আর কিছু বেশি পেলে শংকর জাতের গরুটি তিনি বিক্রি করে দেবেন। ক্রেতা সাবেক ইউপি সদস্য মোকলেছার রহমান বলেন, ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার মধ্যে গরু কিনবেন। ৩ ঘন্টা ঘুরে গরু পছন্দ হচ্ছে।

দামে মিলছে না, দালালদের দৌড়াত্তে¡ তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছে।। ইজারাদার পক্ষের রশিদুল ইসলাম ও শিহাবুজ্জামান শিহাব জানান, হাটে প্রচুর বড় গরু আছে। তবে ক্রেতারা ৬০ থেকে ৮০ হাজার টাকার মধ্যে গরু খুঁজছেন বেশি। সোয়া লাখ থেকে দেড় লাখ টাকার মধ্যে গরুর চাহিদা রয়েছে। ছাগলও বেশ বিক্রি হচ্ছে। ৮ থেকে ১২ হাজার টাকায় ভাল ছাগল পাওয়া যাচ্ছে। ক্রেতারা তাদেও পছন্দ মতো পশু কিনছে।

কোরবানির বাকি আর মাত্র ৪দিন, ক্রেতারা রয়েছেন বাছাইয়ের পর্যায়েই, অনেকে এরই মধ্যে পছন্দের গরু কিনে ফেলেছেন । বেশিরভাগ হাটেই বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে মাঝারি আকারের গরু। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, দেশি গরুর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও চড়া দাম হাঁকছেন খামারিরা। শেষ মুহূর্তে বেচাবিক্রি বাড়বে এমনটাই আশা ব্যবসায়ীদের। হাটের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে ডোমার থানার পুলিশের বিশেষ টিম। আড়াই-তিন মণ ওজনের গরুর দাম ৯০ থেকে ১ লাখ। আর ৫ মণ ওজনের গরুর দাম ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা। ক্রেতারা বলছেন, অন্য বছরের চেয়ে এ বছর গড়ে অন্তত ১০ হাজার টাকা বেশি দাম বেড়েছে।

বিপি/কেজে

You may also like

Leave a Comment

কানেকটিকাট, যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বৃহত্তম বাংলা অনলাইন সংবাদপত্র

ফোন: +১-৮৬০-৯৭০-৭৫৭৫   ইমেইল: bpressusa@gmail.com
স্বত্ব © ২০১৫-২০২৩ বাংলা প্রেস | সম্পাদক ও প্রকাশক: ছাবেদ সাথী