Menu

সর্বশেষ
সর্বশেষ


বাংলাপ্রেস ডেস্ক : অবশেষে আজ মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) প্রবাসীদের আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটার হওয়ার কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সিঙ্গাপুর থেকে নয়, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশীদের মাধ্যমে এই ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে।

আগারগাঁও নির্বাচন ভবন থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই নিবন্ধন কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এ সময় সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ মালয়েশিয়ায় অবস্থান করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম উদ্বোধনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে কমিশন। নির্বাচন ভবনের লেভেল-৫ এর সম্মেলন কক্ষে এ উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীরের সভাপতিত্বে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিদের আসন গ্রহণের পর প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম বিষয়ক বক্তব্য উপস্থাপন করবেন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম। এরপর মালয়েশিয়া থেকে হাইকমিশনার, ঢাকা থেকে নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ বক্তব্য রাখবেন। মালয়েশিয়া থেকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদের বক্তব্য শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির যুগ্ম সচিব ও এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) আব্দুল বাতেন বলেন, ‘আমরা শুরুতেই অনলাইনে নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রবাসীদের ভোটার করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। অনলাইনে নিবন্ধন হলেও যোগ্য বলে যারা বিবেচিত হবে তাদের বায়োমেট্রিক আমরা সংশ্লিষ্ট দেশে গিয়েই সংগ্রহ করবো।

এক্ষেত্রে সেসব দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস আমাদের সহযোগিতা করবে। মালয়েশিয়া থেকে এই কার্যক্রম শুরুর পর পর্যায়ক্রমে দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্যান্য দেশে কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

ইসি সচিবালয় সূত্র জানায়, প্রবাসী বাংলাদেশীরা একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের পর সেই সব আবেদন সঠিক কি না, ইসি তা কেন্দ্রীয়ভাবে যাচাই করবে। যাচাইবাছাই শেষে ইসির কর্মকর্তারা সংশ্লিষ্ট দেশে গিয়ে যোগ্য ও সঠিক আবেদনকারীদের ছবি তোলাসহ ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও চোখের মণির ছাপ (আইরিশ) গ্রহণ করবে। প্রবাসীদের ফরম পূরণের ক্ষেত্রে আটটি তথ্য দিতে হবে। সেগুলো হলো- পিতা ও মাতার নাম ইংরেজি ও বাংলায়, বসবাসরত দেশের নাম, জিপ কোড, বাসা ও হোল্ডিং নম্বর, স্টেট বা প্রদেশ, ফোন নম্বর, শনাক্তকারী ব্যক্তির নাম প্রভৃতি। এছাড়াও পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করতে হবে।

বিপি/আর এল


Leave a Comments

avatar
  Subscribe  
Notify of

এই বিভাগের আরও সংবাদ