Menu

সর্বশেষ
সর্বশেষ


বাংলাপ্রেস ডেস্ক: শ্রম আইনের বিধান না মানায় এবার শান্তিতে নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত ৫ জানুয়ারি ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক রহিবুল ইসলামের আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) তরিকুল ইসলাম এ মামলা করেন।

বৃহস্পতিবার ওই আদালতের পেশকার মিয়া মো. জামাল উদ্দিন বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মামলা দায়ের হয়েছে। তবে এখনো কোনো আদেশ হয়নি।

জানা যায়, মামলায় ড. ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা, পরিচালক আ. হাই খান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক (জিএম) গৌরি শংকরকে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের কারণে গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের চাকরিচ্যুত তিন কর্মীর পৃথক তিনটি মামলায় একই আদালত ৯ অক্টোবর ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর ৩ ন‌ভেম্বর আদাল‌তে আত্মসমর্পণ ক‌রে জা‌মিন পান ইউনূস।

মামলা সূত্রে জানা যায়, শ্রম পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সে সরেজমিন পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনে গিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠানটির দ্বারা শ্রম আইনের ১০টি বিধি লঙ্ঘনের বিষয় দেখতে পান।

এর আগেও গত বছরের ৩০ এপ্রিল বাদীপক্ষের এক পরিদর্শক প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে ত্রুটিগুলো সংশোধনের নির্দেশনা দেন। এরপর ৭ মে ডাকযোগে এ বিষয়ে আসামি পক্ষ জবাব দিলেও তা সন্তোষজনক না হওয়ায় ২৮ অক্টোবর বর্তমান পরিদর্শক আবারও গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সকে তা অবহিত করেন।

কিন্তু নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করে আসামিরা ফের সময়ের আবেদন করেও আবেদনের সময় অনুযায়ী জবাব দাখিল করেননি। এর পরেই ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন শ্রম পরিদর্শক।

গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের বিরুদ্ধে যেসব বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, বিধি মোতাবেক শ্রমিক/কর্মচারীদের নিয়োগপত্র, ছবিসহ পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বই না দেওয়া। শ্রমিকের কাজের সময় এর নোটিস পরিদর্শকের কাছ থেকে অনুমোদিত নয়, কোম্পানিটি বার্ষিক ও অর্ধবার্ষিক রিটার্ন দাখিল করেনি, কর্মীদের বৎসরান্তে অর্জিত ছুটির অর্ধেক নগদায়ন করা হয় না।

এ ছাড়া কোম্পানির নিয়োগবিধি মহাপরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত নয়, ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটি ও উৎসব ছুটি প্রদান-সংক্রান্ত কোনো রেকর্ড/রেজিস্টার সংরক্ষণ করা হয় না, কোম্পানির মুনাফার অংশ ৫% শ্রমিকের অংশগ্রহণ তহবিল গঠনসহ লভ্যাংশ বণ্টন করা হয় না, সেফটি কমিটি গঠন করা হয়নি, কর্মীদের অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করালেও কোনো ঠিকাদারি লাইসেন্স এবং কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স নেওয়া হয়নি।

বিপি/আর এল


Leave a Comments

avatar
  Subscribe  
Notify of