Menu

সর্বশেষ
সর্বশেষ


বাংলাপ্রেস খেলাধুলা ডেস্ক: বিশ্বকাপের বছরের বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রথম সিরিজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। বছরের প্রথম এই সিরিজকেই পাখির চোখ করে তাকিয়ে আছে দেশের ক্রিকেট। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তিন ওয়ানডে ও দুই টেস্টের এই সিরিজ। তাই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) রেশ কাটতে না কাটতেই ক্রিকেটাররা প্রস্তুত হচ্ছে নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য।
ইতোমধ্যে মুশফিকুর রহিম, মাহামুদুল্লাহ রিয়াদ, মুস্তাফিজুর রহমানসহ ৮ টাইগার ক্রিকেটার দেশ ছেড়েছেন কিউইদের উদ্দেশে। বিপিএলের ফাইনালকে সামনে রেখে আরও দুই ধাপে দেশ ছাড়বেন বাকীরা।

প্রায় দুই মাস পর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ, তাই বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফাইয়ার শেষে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় দলের প্রসঙ্গই বেশি আসল ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার সামনে।প্রায় প্রস্তুতি ছাড়াই প্রতিকুল কন্ডিশনে যাচ্ছে দল। নিউজিল্যান্ডে গিয়েও দল খুব একটা সময় পাবে না কন্ডিশনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর জন্য। তারপরও বেশ আশাবাদী মনে হলো মাশরাফিকে। নিজেই স্বীকার করেছেন বলার সময় কখনই খুব একটা আত্মবিশ্বাসী না থাকেলও এবার কিছুটা আত্মবিশ্বাসী তিনি। এছাড়া এই সিরিজে টাইগারদের সম্ভাবনা অনেক বেশি।

অধিনায়ক বলেন, শেষ নিউজিল্যান্ড সিরিজে সুযোগ ছিল হাত ছাড়া করেছি, এবার এরকম সুযোগ থাকলে কাজে লাগানোর চেষ্টা করব।তবে বাংলাদেশের জন্য যে সিরিজটা অনেক কঠিন হবে তা বলেছেন ডান-হাতি এই বোলার, আমি ভালো কিছুর আশা করছি, তবে এটা কঠিন, খুব কঠিন।

কোনও রকম প্রস্তুতি ছাড়াই একটি সিরিজ খেলতে যাচ্ছে এ নিয়ে খুব একটা চিন্তিত দেখা গেলো না ওয়ানডে অধিনায়কে। ২০১৭ সালের নিউজিল্যান্ড সিরিজে ১ মাসের বেশি সময় প্রস্তুতি নিয়ে গিয়েও সব ফরম্যাটে হেরেছে দল তাই এবার এই ঘাটতিকে বড় করে দেখছেন না তিনি।এছাড়া অবধারিতভাবেই সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন ওঠে মাশরাফির ক্যারিয়ার নিয়ে। এটাই কি শেষ বিপিএল কিনা প্রশ্নের জবাবে ২০ বছরের ক্যারিয়ার গড়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন ৩৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।

তবে বাকিটা সময় বলে দেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইচ্ছেতো ছিল ২০ বছরের ক্রিকেট খেলার খেলার, হবে কিনা জানি না তবে ইচ্ছে আছে বিপিএল আগামী বছর সময় মতো হলে খেলার।২০০১ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের যাত্রা শুরু করলেও মাঝে ইনজুরির কারণে বেশ কয়েকবার ২২ গজের দূরে থাকতে হয়েছে নড়াইল এক্সপ্রেস খ্যাত এই তারকাকে। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ফের দলের হাল ধরেন। এর পর হয়ে যান বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা অধিনায়ক।

বিপি/কেজে


Leave a Comments

avatar
  Subscribe  
Notify of